

দুর্গাপুর দর্পণ ডেস্ক: এক সময় নির্বাচন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন যিনি, জীবনের শেষ পর্বে এসে সেই মানুষটিরই নাম উঠল না ভোটার তালিকায়! পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) জামালপুরের তুরুক-ময়না গ্রামের বাসিন্দা, ৭৬ বছরের প্রাক্তন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মহম্মদ মতিন এই ঘটনায় গভীরভাবে হতাশ ও অপমানিত। ১৯৭৪ সালে কর্মজীবন শুরু করা মতিন মুর্শিদাবাদের সুতি ও সাগরদিঘিতে বিডিও হিসেবে কাজ করেছেন, পরে হুগলিতে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বও সামলেছেন। পরে বর্ধমান পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
অভিযোগ, সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি— পাসপোর্ট, পেনশন সংক্রান্ত কাগজপত্র ও চাকরির পরিচয়পত্র— জমা দেওয়ার পরও চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম ওঠেনি। মতিনের আক্ষেপ, সারা জীবন ভোটার তালিকা নির্ভুল করার কাজে যুক্ত থেকেও নিজের নাম বাদ পড়া অত্যন্ত অপমানজনক। শুধু তিনি নন, তাঁর স্ত্রী রেজিনা বেগম-সহ পরিবারের একাধিক সদস্য এবং গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক বাসিন্দার নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিচারাধীন তালিকায় থাকা ২৪৯ জনের মধ্যে ২০৬ জনের নামই শেষ পর্যন্ত বাদ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, নিয়ম মেনে আবেদন করলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।.jpeg)
.jpeg)