স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ঝলসে গেলেন ১০ জন, ভর্তি দুর্গাপুরের হাসপাতালে

দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর, ৬ জুলাই ২০২৪: শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার (Bankura) বড়জোড়ায় ঘুটগড়িয়ায় স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। ভাটি বিস্ফোরণে ঝলসে গেলেন ১০জন শ্রমিক। তাঁদের প্রথমে বড়জোড়া সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাঁদের পশ্চিম বর্ধমান জেলার (Paschim Bardhaman) দুর্গাপুরের বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ৯ জনকে ভর্তি করে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। একজনকে আউটডোরে চিকিৎসা করানো হয়।

হাসপাতালে যাদের ভর্তি করা হয়েছে তারা হলেন সোনু পাসোয়ান, গঙ্গাসাগর শাল, পরেশ রায়, দিলীপ বাউড়ি, রঘুনাথ কর্মকার, তুফান মন্ডল, প্রমোদ মন্ডল ও হরি কর্মকার। প্রথম তিনজনের অবস্থা সংকটজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। আউটডোরে চিকিৎসা করানো হয় পাপ্পু প্রসাদকে। অন্তত দুই জনের শরীরের অর্ধেকের বেশি ঝলসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

( BCREC & Group of institutions । পূর্ব ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। 933927844, 9832131164, 9932245570, 9434250472) 

সন্ধ্যায় আচমকা ভাটি বিস্ফোরণ হয় ওই কারখানায়। ঘুটগড়িয়া এলাকার অ্যাম্বুল্যান্স চালক লব ঘোষ, অজিত কর্মকাররা জানান, তাঁরা খবর পেয়েই অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে কারখানায় পৌঁছে যান। কারখানায় কোনও অ্যাম্বুল্যান্স বা গাড়ি ছিল না বলে জানান তাঁরা। তাঁরা নিজেরাই জখম শ্রমিকদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে বড়জোড়া সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁরাই আবার ওই শ্রমিকদের দুর্গাপুরের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বিধান মন্ডলের বাবা পারবত মন্ডল জখম হয়েছেন দুর্ঘটনায়। বিধান জানায়, সে পাশের কারখানায় কাজ করে। বাবার ছুটি হলে একসঙ্গে কাজে যায়। আজ কাজ শেষ হওয়ার পরে সে জানতে পারে, বাবা জখম হয়েছেন। বাবার শরীর নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছে বলে জানিয়েছে বিধান। (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)।

Leave a Comment

error: Content is protected !!
mission hospital advt