দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) দুর্গাপুর শহরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকার বৃষ্টির জল ও দৈনন্দিন বর্জ্য জল বেরিয়ে যায় ফুলঝোড়ের ডঃ বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ডঃ বিসি রায় অ্যাকাডেমি অফ প্রফেশনাল কোর্সেস এর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি চওড়া প্রাকৃতিক নর্দমা দিয়ে। অভিযোগ উঠেছে, সেই নর্দমার একাংশ বুজিয়ে বেআইনিভাবে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এর ফলে আসন্ন বর্ষায় এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তেমনই বর্ষায় বিপাকে পড়ার আশঙ্কা করছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সারা বছর নর্দমা দিয়ে তুলনামূলক কম জল বয়ে গেলেও বর্ষাকালে তা ভরে যায়। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে ওয়ার্ডের বিভিন্ন অংশে জল জমলেও এই নর্দমা দিয়েই জল বেরিয়ে যেত। কিন্তু সম্প্রতি হরিবাজার সংলগ্ন এলাকায় নর্দমার কিছু অংশ দখল করে সীমানা পাঁচিল তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এর ফলে নর্দমার প্রস্থ কমে যাচ্ছে এবং বেশি বৃষ্টিতে জল বেরোতে সমস্যা হবে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এলাকারই কিছু ব্যক্তি এই নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত। তবে নির্মাণকারীদের দাবি, জায়গাটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন। মাপজোক করে যদি দেখা যায় সেটি সরকারি জায়গা, তাহলে তাঁরা ছেড়ে দেবেন।
(BCREC & Group of institutions । পূর্ব ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। 933927844, 9832131164, 9932245570, 9434250472)
কলেজের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই মহকুমা প্রশাসন, আসানসোল–দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ (এডিডিএ)-সহ একাধিক দফতরে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারী বৃষ্টির সময় নর্দমা উপচে পড়ে দুই কলেজের পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। নর্দমার পথ আরও সংকীর্ণ হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, “নিকাশি নালা দখল হয়ে গেলে বর্ষাকালে বড় বিপর্যয় নেমে আসবে। শুধু কলেজ নয়, আশপাশের বাসিন্দাদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।” খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে মহকুমা প্রশাসন ও এডিডিএ কর্তৃপক্ষ। (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)