দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: রক্তের সংকট মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman) জেলার দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, রক্তের উপাদান পৃথকীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্র ইতিমধ্যেই এসে পৌঁছেছে। এখন বাকি রয়েছে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই ইউনিট চালু হয়ে যাবে বলে আশাবাদী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে এক ইউনিট রক্ত থেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী ৪ থেকে ৫ জন রোগীর শরীরে দেওয়া যাবে।
চিকিৎসকদের মতে, রক্তে একাধিক উপাদান থাকে—লোহিতকণিকা, শ্বেতকণিকা, অনুচক্রিকা ও রক্তরস। সব রোগীর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রক্তের প্রয়োজন হয় না। উপাদান পৃথকীকরণের ব্যবস্থা না থাকায় রোগীদের পুরো রক্ত দিতে হয়। যার ফলে একদিকে রক্তের অপচয় হয়। অন্যদিকে, অনেক সময় রোগীর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি দেখা দেয়। এই সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব ছিল বিভিন্ন রক্তদাতা সংগঠন। তাদের দাবি ছিল, উপাদান পৃথকীকরণের ব্যবস্থা না থাকায় রক্তের ঘাটতি আরও প্রকট হচ্ছে। অবশেষে সেই দাবির বাস্তবায়নের পথে এগোলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
(The Mission Hospital. দেশের সেরা চতুর্থ হাসপাতাল এখন দুর্গাপুরে। যোগাযোগ- 8687500500)
সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানান, প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের অত্যাধুনিক যন্ত্র ইতিমধ্যেই হাসপাতালে পৌঁছেছে। প্রয়োজনীয় ঘর ও পরিকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব পূর্ত দফতরকে দেওয়া হয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ইউনিট চালু করা সম্ভব হবে। রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান কবি দত্ত জানান, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলিও দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবার মানোন্নয়নে সহযোগিতা করছে। হাসপাতালের সুপার ধীমান মণ্ডল জানান, এতদিন রক্তের উপাদান পৃথকীকরণের জন্য দুর্গাপুর থেকে রক্ত পাঠানো হতো আসানসোল জেলা হাসপাতালে। এতে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হতো। নতুন ইউনিট চালু হলে সমস্যা মিটবে। (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)


