দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: এক মুহূর্তের ভুলেই শেষ হয়ে যেতে পারত তিনটি প্রাণ। কিন্তু এক ডাম্পার চালকের অসামান্য সাহস ও মানবিকতায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পেল একটি পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে, পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman) জেলার দুর্গাপুরের পিয়ালা কালীবাড়ি সংলগ্ন এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আসানসোলগামী লেনে একটি স্কুটি হঠাৎ টায়ার পাংচার হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। স্কুটিতে ছিলেন স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের ছোট্ট মেয়ে। ভারসাম্য হারিয়ে স্কুটিটি সামনের দিকে চলা ছাইবোঝাই ডাম্পারের একেবারে সামনে পড়ে যায়। মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যেত পারত।
কিন্তু তা হয়নি। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে অসাধারণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন ডাম্পার চালক দেবাশীষ মহন্ত। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তিনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন এবং ডাম্পারটি রাস্তার ডিভাইডারের দিকে ঘুরিয়ে দেন। ব্যারিকেড ভেঙে গাড়িটি মাঝখানের অংশে উঠে গেলেও তাঁর এই সাহসী পদক্ষেপেই নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান স্কুটিতে থাকা তিনজন। দেবাশীষ বলেন, “ওদের বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমি ডাম্পারটিকে ডিভাইডারের দিকে ঘুরিয়ে দিই। রেলিং ভেঙে ডিভাইডারের উপরে উঠে যায়। আমার ডাম্পারের ক্ষতি হল। তবে তিনজনের প্রাণ বেঁচে গেল, এটাই সব থেকে বড় বিষয়।”
(BCREC & Group of institutions । পূর্ব ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। 933927844, 9832131164, 9932245570, 9434250472)
দুর্ঘটনায় স্কুটি আরোহীরা সামান্য আঘাত পেলেও বড় ধরনের কোনও ক্ষতি হয়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুর্গাপুর ও মুচিপাড়া ট্রাফিক গার্ডের কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাম্পার চালক সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, চালকের এই মানবিকতা ও দায়িত্বশীল মনোভাব আজ এক পরিবারকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিল। তাঁর সাহসিকতার এই ঘটনা এলাকায় এখন প্রশংসার কেন্দ্রবিন্দু। (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)


