ম্যাকাউটে পাঁচতলা থেকে মরণঝাঁপ দুর্গাপুরের সায়নীর, কী বলছেন প্রতিবেশী, স্কুলের অধ্যক্ষ?

WhatsApp Group Join Now
Instagram Group Join Now

দুর্গাপুর: মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (ম্যাকাউট) এর পাঁচতলা থেকে মরণঝাঁপ ছাত্রীর। সোমবার বিকালে এই ঘটনা ঘটেছে। মৃত ছাত্রীর নাম সায়নী সেন (২৪)। এমটেকের ছাত্রী ছিলেন তিনি। বাবা চাকরি করতেন দুর্গাপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশনে (ডিটিপিএস)। তাই দুর্গাপুরের ডিটিপিএস কলোনিতে থেকেই বেড়ে ওঠা সায়নীর। কিছুদিন আগে বাবার অবসরের পরে সবাই চলে যান নদিয়ার জাগুলিতে।

সোমবার সন্ধ্যায় দুঃসংবাদ আশার পরে শোকাহত প্রতিবেশীরা। অভিযোগ, ম্যাকাউটে পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষকের কাছে অপমানিত হয়ে পাঁচ তলা থেকে ঝাঁপ দেয় সায়নী। দীর্ঘ সময় ধরে রক্তাক্ত অবস্থায় কলেজ ক্যাম্পাসেই পড়েছিল তার দেহ। কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিরাপত্তার চূড়ান্ত গাফিলতির অভিযোগ তুলে সোমবার রাতে ব্যাপক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয় ক্যাম্পাসে।

(The Mission Hospital. দেশের সেরা চতুর্থ হাসপাতাল এখন দুর্গাপুরে। যোগাযোগ- 8687500500)

সায়নীর বাবা পীযূষ সেনের বন্ধু বিকাশ দাস বলেন, “সায়নী খুব ভালো মেয়ে ছিল। সবসময় বাবার সঙ্গে থাকতো। বাবা-মা ও সায়নীকে কোনওদিন একা ছাড়ত না। এই খবর পেয়ে আমরা মর্মাহত। কী কারণে মৃত্যু হল আমরাও কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইছি।” সায়নী ছোট থেকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা করেছে। একাদশ-দ্বাদশে ডিএসপি টাউনশিপের রাজেন্দ্র প্রসাদ রোড সংলগ্ন একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করে। ওই স্কুলের অধ্যক্ষ অপরাজিতা ভট্টাচার্য এই খবর জানতে পেরে শোকাহত হয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, “সায়নী খুব মেধাবী ছাত্রী ছিল। আমরা খুবই আশাবাদী ছিলাম ও খুব বড় জায়গায় পৌঁছাবে। কিন্তু মর্মান্তিক এই খবর পাওয়ার পর থেকে খুবই শোকাহত আমরা। এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে বড় কোনও কারণ থাকতে পারে। যে মেয়ে এত মেধাবী, যে আগামী ভবিষ্যৎ ঠিক করেই রেখেছে, সে এত বড় সিদ্ধান্ত কি করে নিতে পারে? এর পিছনে কোনও না কোনও কারণ নিশ্চয়ই আছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আমার আবেদন, যাতে সঠিক তদন্ত হয় সেদিকে নজরদারি দেওয়ার জন্য।” (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)।

Leave a Comment

error: Content is protected !!