
দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর, ২৫ আগস্ট: ভুয়ো সাফাইকর্মীর নামে মজুরি তোলা এবং সেই টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর তথা প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যান লোকনাথ দাসের দিকে।
অভিযোগের সূত্রপাত একটি ভাইরাল ভিডিওকে (ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ‘দুর্গাপুর দর্পণ’) ঘিরে। সেখানে সাফাইকর্মীদের সুপারভাইজার বিধান বাউরিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ফুলেশ্বরী বাউড়ি নামে এক ব্যক্তির নামে ভুয়ো সই করে মাসের পর মাস মজুরি তোলা হত। অভিযোগ, ওই মজুরির টাকা শেষ পর্যন্ত পৌঁছে যেত ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর লোকনাথ দাসের কাছে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরেও নিয়ম বদলায়নি।
ভিডিওতে বিধানের আরও দাবি, এই কাজের বিনিময়ে তিনি মাসে কখনও ৫০০ টাকা, আবার কখনও ১,০০০ টাকা করে পেতেন। তবে এই অভিযোগের সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন লোকনাথ দাস। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। সাফাইকর্মীদের মজুরি সরাসরি অনলাইনে নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। কেউ কারওর হয়ে টাকা তুলতে পারে না।
একদিকে সুপারভাইজারের ভিডিও-দাবি, অন্যদিকে প্রাক্তন কাউন্সিলরের সরাসরি অস্বীকার—দুই বক্তব্যে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক। ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, বিএমএসের লোকজন এলাকায় গিয়ে বিধানের সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁদের বক্তব্য, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল বলেন, “একটা ভুত ধরা পড়েছে। এমন কত ভুত যে দুর্গাপুরে আছে, তার ইয়ত্তা নেই। পুরসভা ও প্রশাসনকে বলব ভুতদের খুঁজে বের করা এবং এর জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
আরও পড়ুন: মাঝরাতে রণক্ষেত্র দুর্গাপুর, প্রাক্তন কাউন্সিলরের বাড়িতে হামলা, লাঠিচার্জ-কাঁদানে গ্যাস পুলিশের!
সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব! দুর্গাপুরে কড়া হুঁশিয়ারি পুলিশের
(বিশেষ বিশেষ খবরের ভিডিয়ো দেখতে Durgapur Darpan Youtube Channel সাবস্ক্রাইব করুন)


