দুর্গাপুরে গড়ে উঠছে নতুন আরও একটি সরকারি হাসপাতাল

WhatsApp Group Join Now
Instagram Group Join Now

দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman) জেলার দুর্গাপুরে বুধবার দুর্গাপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশনে (ডিটিপিএস) একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা করলেন ডিভিসির চেয়ারম্যান এস সুরেশ কুমার। এদিন তিনি ডিটিপিএস চত্বরে নতুন হাসপাতাল ভবনের শিলান্যাস করেন। পাশাপাশি পুরষা থেকে হুচুকডাঙা পর্যন্ত ক্যানাল পাড়ে রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পেরও আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। চেয়ারম্যানের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। কাজের গতি আরও বাড়ানোর দাবিতে একাংশ বাসিন্দা শাঁখ বাজিয়ে ও ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।

ডিভিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ডিটিপিএস-এ ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি নতুন সুপারক্রিটিক্যাল ইউনিট স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইউনিট নির্মাণের জন্য কলোনির মধ্যে থাকা স্কুল, পুলিশ ফাঁড়ি, ডাকঘর ও ব্যাঙ্ক সরিয়ে নেওয়ার কাজও চলছে। তবে জমি খালি করতে গিয়ে ডিটিপিএস কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। সম্প্রতি অর্জুনপুর এলাকায় স্থানীয়দের বাধায় পরপর দু’দিন উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখতে বাধ্য হন ডিটিপিএসের আধিকারিকরা।

(Dvita Eye Care। কলকাতার বাইরে সেরা চোখের হাসপাতাল। যোগাযোগ- 0343-6661111)

তবে এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দা চান, দ্রুত নতুন ইউনিট গড়ে উঠুক। চেয়ারম্যানের সফরের খবর পেয়ে তাঁরা প্লাকার্ড হাতে নিয়ে দ্রুত ইউনিট নির্মাণের দাবিতে স্লোগান দেন। তাঁদের বক্তব্য, কারখানার জন্য তাঁদের পূর্বপুরুষরা জমি দিয়েছিলেন। নতুন ইউনিট হলে স্থানীয় যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান হবে।ডিটিপিএস বাঁচাতে দীর্ঘদিন আন্দোলনের ফলেই আজ নতুন ইউনিটের কাজ শুরু হয়েছে। 

ডিভিসি চেয়ারম্যান এস সুরেশ কুমার জানান, ডিভিসি-ডিটিপিএসের নিজস্ব জমি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা হয়েছিল। এখন প্রকল্পের স্বার্থে সেই জমি প্রয়োজন। তাই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “সাড়ে চার মাস আগেই হাসপাতাল, ফাঁড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখনও পুরোপুরি কাজ শেষ হয়নি।” স্থানীয়দের সমর্থন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ এটা ভাল বিষয়। নতুন ইউনিট হলে সবারই উপকার হবে।” (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)

error: Content is protected !!