দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: দরজা ছিল খোলা। ভেতর থেকে বেরোচ্ছিল তীব্র গন্ধ। বিছানার উপর উপুড় হয়ে পড়ে ছিল পচাগলা দেহ। শ্বশুর মশাইয়ের এমন অবস্থা দেখে রীতিমতো চমকে যান বৌমা। তিনি এসেছিলেন শ্বশুরকে রথের মেলায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। বুধবার সন্ধ্যায় পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Bardhaman) জেলার দুর্গাপুর থানার এইচএসসিএল এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম মঙ্গল পাশওয়ান (৬০)। তিনি দুর্গাপুর থানার নাগার্জুন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
(The Mission Hospital. দেশের সেরা চতুর্থ হাসপাতাল এখন দুর্গাপুরে। যোগাযোগ- 8687500500)
ছেলে রাজেশ পাশওয়ানের দাবি, “দু’দিন আগে আমার স্ত্রীর সঙ্গে বাবার শেষবার কথা হয়। তারপর থেকে আর কোনও যোগাযোগ ছিল না। বাবা এইচএসসিএল এলাকার একটি গুদামে পাহারাদারের কাজ করতেন। সেখানেই থাকতেন। তবে প্রতিদিন একবার করে বাড়িতে আসতেন। গত দু’দিন ধরে তিনি বাড়িতেও আসেননি, ফোনেও যোগাযোগ করা যায়নি। তাই সন্ধ্যেবেলা আমার স্ত্রী ও পরিবারের লোকজন তাঁকে রথের মেলায় নিয়ে যেতে গুদামে যায়। গিয়ে দেখে বিছানায় উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছেন বাবা। শরীর ফুলে উঠেছে, দরজা খোলা।”
https://youtu.be/GgoQx5YcdVk
বহু বছর ধরে তিনি এখানে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন। তাঁর ছেলে রাজেশের অভিযোগ, “আমার বাবাকে কেউ খুন করেছে বলে মনে হচ্ছে।” ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দুর্গাপুর থানার পুলিশ। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এসিপি দুর্গাপুর সুবীর রায় বলেন,”কি কারনে মৃত্যু হয়েছে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর কারণ বোঝা যাবে।” (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন )


