সুজয় ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) দুর্গাপুরের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের দামোদর কলোনি এলাকার একাংশে পানীয় জলের ব্যাপক আকাল দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের আরও অভিযোগ, নিকাশি নালা না থাকায় বাড়ির বর্জ্য জল বাড়িতেই জমে থাকছে। অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় সিং বলেন, ”পানীয় জলের আকাল রয়েছে আমাদের এলাকায়। পাইপলাইনে সরু সুতোর মত জল আসে। সাবমার্শিবল পাম্প বসানোর দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু প্রাক্তন কাউন্সিলর করতে দেননি। একটি চাপা কল বসানো হয়েছে। সেই কলে ঘোলা জল বেরোচ্ছে। আমাদের এলাকায় নিকাশি নালা নেই। বাড়িতে বর্জ্য জল জমিয়ে রাখতে হয়। এরপর তুলে দূরের ড্রেনে ফেলে আসতে হয়।” একই কথা জানিয়েছেন এলাকাবাসী মৌসুমী সিং, সুমিতা সাউ, নুর বেগম।
(Dvita Eye Care। কলকাতার বাইরে সেরা চোখের হাসপাতাল। যোগাযোগ- 0343-6661111)
প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর শিপুল সাহা জানান, দামোদর কলোনির ভিতরে তিনটি ট্যাপ আছে। সামনের একটি ট্যাপে কম জল বেরোয়। সেজন্য একটি চাপা কল বসানো হয়েছে। সেটিতে ঘোলা জল বেরোচ্ছে বলে বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন। পুরসভায় খবর দেওয়া হয়েছে। জল দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা এসে ব্যবস্থা করবেন। দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে। তিনি আরও জানান, মাত্র চারটি পরিবারের সমস্যা। একটি সাবমার্শিবল পাম্প থেকে ১১টি ট্যাপ কল দিতে হয় তা না হলে জলের প্রেসার নিতে পারে না। তাই চাপা কল বসানো হয়েছে।
তিনি জানান, এলাকার নিকাশি নালার মধ্য দিয়ে মোটা জলের পাইপ গিয়েছে। ফলে নিকাশি নালার জল ঠিকমতো বেরোচ্ছে না। আটকে থাকছে। দামোদর কলোনি থেকে মহানন্দা কলোনির জলবস্তি পর্যন্ত প্রায় ১ কিমি রাস্তার কাজের জন্য ৩৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কাজ হবে দ্রুত। বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মন্ডল বলেন, “বিনা কাটমানিতে পুরসভার জল দফতরে কোনও কাজ হয় না। উন্নয়নের পাঁচালি শোনাচ্ছেন, জনগণের দুঃখের পাঁচালি কবে শোনাবেন? রঙিন জল বেরোচ্ছে কল থেকে। সেই জল আপনারা খাবেন?” (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)



