ফাঁড়িতে তুমুল বিক্ষোভ
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে বারাবনি থানার গৌরান্ডি সংলগ্ন নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা লখন গোপের মেয়ে পাপিয়া গোপ (২২)-এর বিয়ে হয়েছিল আমকোলা গ্রামের বাসিন্দা পার্থ গোপের সঙ্গে। পেশায় গাড়িচালক পার্থ নিজস্ব মারুতি ভ্যান চালাতেন। মৃতার পরিবারের দাবি, বিয়ের প্রায় এক বছর পর থেকেই পাপিয়ার সঙ্গে তাঁর শাশুড়ির প্রায়ই অশান্তি হতো। অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিতেন। এর জেরে বাড়িতে প্রায়ই বিবাদ ও মারপিট চলত।
(The Mission Hospital. দেশের সেরা চতুর্থ হাসপাতাল এখন দুর্গাপুরে। যোগাযোগ- 8687500500)
পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার দিন সকালেও পাপিয়ার সঙ্গে তাঁদের স্বাভাবিক কথা হয়েছিল। কিন্তু সকাল ১০টা নাগাদ শাশুড়ির সঙ্গে তীব্র ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়। অভিযোগ, এরপরই পরিকল্পিতভাবে পাপিয়াকে গলা টিপে খুন করা হয়। দুপুর আড়াইটে নাগাদ পরিবারের লোকজনকে খবর দেওয়া হয় যে, মেয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। পরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে গিয়ে তাঁরা পাপিয়ার নিথর দেহ দেখতে পান।
অন্যদিকে, শ্বশুরবাড়ির তরফে দাবি করা হয়েছে, সকালে সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। পাপিয়া রান্নার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সামান্য কথাকাটাকাটির পর অভিমান করে তিনি গলায় ফাঁস লাগান। পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি তাঁকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই মৃত্যুকে ঘিরে দুই পক্ষের ভিন্নমত সামনে আসায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে নেমেছে পুলিশ। (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)


