পর পর দাঁড় করিয়ে দেওয়া হল বাস
সুজয় ভট্টাচার্য, দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর: আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) দুর্গাপুরে প্রশাসনের নাকের ডগায় বাসের ছাদে বিপজ্জনকভাবে চলছিল যাত্রী পরিবহণ। গত ১২ নভেম্বর ‘দুর্গাপুর দর্পণ’ সেই খবর তুলে ধরে। সেদিনই ট্রাফিক পুলিশের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, দ্রুত অভিযান শুরু হবে। রবিবার দেখা গেল বাঁকুড়া মোড়ে চলছে অভিযান। বাস থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে ছাদ থেকে। একই সঙ্গে বাসের চালক ও কন্ডাক্টারদের সতর্ক করা হচ্ছে।
বহু বছর আগে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপে বন্ধ হয়েছিল বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন। বাস মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ছাদে ওঠার সিঁড়ি কেটে ফেলার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই নির্দেশ ক্রমশ ফিকে হতে শুরু করে। বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর সহ বিভিন্ন রুটের বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহণের ছবি নজরে আসে। দুর্গাপুর স্টেশন বাসস্ট্যান্ডেও দেখা যায় ছাদে যাত্রী বোঝাই বাস। এ বিষয়ে দুর্গাপুরের এসিপি (ট্রাফিক) রাজকুমার মালাকার জানান, ট্রাফিক আধিকারিকদের সতর্ক করা হবে যাতে বাসের ছাদে আর যাত্রী পরিবহণ না হয়।
(BCREC & Group of institutions । পূর্ব ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। 933927844, 9832131164, 9932245570, 9434250472)
সেই মতো রবিবার বিকালে দেখা গেল, মুচিপাড়া ট্রাফিক গার্ডের পক্ষ থেকে বাঁকুড়া মোড়ে অভিযান শুরু হয়েছে। ছাদে যাত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য বাস চালক ও কন্টাক্টারদের ধমক দেন পুলিশ আধিকারিকেরা। মুচিপাড়া ট্রাফিক গার্ডের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সতীনাথ শীল বলেন, “বাসের ছাদে যাত্রী নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। শীতকালে এমনিতেই দুর্ঘটনা বাড়ছে। আমরা বাড়তি নজরদারি শুরু করেছি। লাগাতার চালকদের সতর্ক করা হচ্ছে।” যদিও বাস চালক রাহুল সিং বলেন, “আমরা বার বার বারণ করি। কিন্তু যাত্রীরা শোনে না। জোর করে ছাদে উঠে পড়ে। বারণ করি বলে পাল্টা আমাদের উপর চোটপাট করে।” (বিশেষ বিশেষ ভিডিও দেখতে DURGAPUR DARPAN ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করুন)


