WhatsApp Group Join Now
Instagram Group Join Now

দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর, ২৯ সেপ্টেম্বর: কুকুরের কামড় বা আঁচড় লাগলে কী করতে হবে? আচমকা কুকুর সামনে এলে কী ভাবে নিরাপদ থাকা যায়? ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত সচেতনতা শিবিরে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির পড়ুয়ারা এমন সব জরুরি প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেল। বর্ধমান সোসাইটি ফর অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ারের সহায়তায় এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরের সৌজন্যে আয়োজিত এই শিবিরের বার্তা ছিল—‘সময়মতো টিকা দিন, জলাতঙ্ক মুক্ত সমাজ গড়ুন।’

পশুচিকিৎসা বিভাগের আধিকারিক ড. পবন ত্রিপাঠী জানান, জলাতঙ্ক অত্যন্ত প্রাণঘাতী ভাইরাসঘটিত রোগ। তাই কোনও প্রাণীর কামড় বা আঁচড়কে হালকা ভাবে না দেখে দ্রুত ক্ষতস্থান সাবান ও প্রবাহিত জল দিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত টিকাও নিতে হবে। এডি এআরডি সুজিত কুন্ডু স্লাইডের মাধ্যমে পড়ুয়াদের বোঝান, কুকুর খাওয়ার বা ঘুমোনোর সময় তাকে বিরক্ত করা উচিত নয়। কুকুরের দিকে কিছু ছোড়া বা তার বাচ্চাকে ধরতে যাওয়াও বিপজ্জনক হতে পারে। কুকুর আচমকা কাছে এলে দৌড়ে না গিয়ে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, মানুষের সঙ্গে পশুপাখির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। সেই সম্পর্ককে নিরাপদ রাখতে সচেতনতা জরুরি। শিক্ষক পলাশ চৌধুরীও প্রাণীদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণের উপর জোর দেন। অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক রিনা দাঁ জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্কে মানুষের মৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে এই ধরনের সচেতনতা কর্মসূচি আরও প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এডি এআরডি শিবেন দেবনাথ, ট্রাস্টি সদস্য শচীন্দ্রাণী ঘোষ-সহ বিশিষ্টজনেরা।

(বিশেষ বিশেষ খবরের ভিডিয়ো দেখতে Durgapur Darpan Youtube Channel সাবস্ক্রাইব করুন)