অমৃত বচন: শ্রীকৃষ্ণ বিষাদগ্ৰস্ত অর্জুনকে বললেন, “দুর্বলতা, শক্তিহীনতার কাছে নতি স্বীকার করো না”…

প্রতিষেধক: বৃহদারণ্যক উপনিষদে আছে, ঋষি যাজ্ঞবল্ক্য রাজা জনককে বলছেন : জনক, তুমি ভয়হীন অবস্থা অর্জন করেছ। ভয়হীনতার মাধ্যমেই তোমার আধ্যাত্মিক ভাবের উৎকর্ষ সাধিত হতে পারে ; দুর্বলতার মাধ্যমে নয়। সব পশুই দুর্বল, তারা জন্তু। একমাত্র মানব সত্তাই ভয়হীন হতে পারে নিজ অন্তরে অধিষ্ঠিত ঈশ্বরসত্তার অনুভূতিতে। শক্তিই হলো জাগতিক ব্যাধির একমাত্র প্রতিষেধক। এই হলো বেদান্তের বাণী। … Read more

অমৃত বচন: আমরা কীটপতঙ্গের মতো শুধু শরীর নিয়ে বেঁচে থাকতে পারি, আবার অন্যটাও হতে পারে

বুদ্ধিযোগ প্রদান: ভগবান নানাভাবেই মানুষকে সাহায্য করেন। তাঁর শ্রেষ্ঠ কৃপা মানুষকে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সাহায্য করা। বুদ্ধদেবও তাঁর অষ্টাঙ্গিক মার্গে এই সম্যক দৃষ্টির কথা বলেছেন। এই সম্যক্ দৃষ্টিভঙ্গি জীবনের সবচেয়ে মহার্ঘ বস্তু। গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলছেন, আমি তাঁদের বুদ্ধিযোগ প্রদান করি, যার সাহায্যে তাঁরা আমাকে লাভ করেন, আমার কাছে আসেন। আমরা কীটপতঙ্গের মতো শুধু শরীর … Read more

অমৃত বচন: বিপদে পড়লে তাঁকে ডাকি, কিন্তু যেই বিপদ কেটে গেল? তারপর?

আধ্যাত্মিক সুভাষ: মাতা ঠাকুরাণীকে এক পত্রে সুভাষচন্দ্র লিখছেন, ভগবানের দয়ার অভাব নেই, জীবনের প্রতি মুহূর্তে তাঁর দয়ার পরিচয় পাওয়া যায়। তবে আমরা অন্ধ, অবিশ্বাসী, ঘোর নাস্তিক, তাই তাঁর দয়ার মাহাত্ম্য বুঝতে পারি না। দুঃখে পড়লে তাঁকে ডাকি, অনেকটা প্রাণ খুলে ডাকি কিন্তু যেই দুঃখ দূর হল, সুখের আলোক আসতে লাগলো অমনি আমাদের ডাকা বন্ধ হল … Read more

error: Content is protected !!