WhatsApp Group Join Now
Instagram Group Join Now

দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর, ২৭ সেপ্টেম্বর: পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে রবিবার অনুষ্ঠিত হল ভারতীয় জনতা মজদুর মঞ্চের (বিজেএমএম) অষ্টম রাজ্য সম্মেলন। উপস্থিত ছিলেন বিজেএমএম-এর রাজ্য সভাপতি স্বপন কুমার নন্দী, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কল্যাণ দুবে-সহ রাজ্য, জেলা ও স্থানীয় স্তরের একাধিক নেতা। কল্যাণ দুবে জানান, ১৯৯৮ সাল থেকে শ্রমিকদের স্বার্থে কাজ করছে বিজেএমএম।

কল্যাণের দাবি, দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে বিজেএমএম-এর ১৪টি এবং বরজোড়ায় সাতটি ইউনিট রয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ওই ইউনিটগুলিতে ২ হাজারের বেশি শ্রমিক যুক্ত। অন্যদিকে, বিজেএমএম-এর সম্মেলন নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে বিএমএস। বিএমএস-এর জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃন্ময় ব্যানার্জীর প্রশ্ন, অষ্টম রাজ্য সম্মেলন হলে আগের সাতটি সম্মেলন কোথায় এবং কখন হয়েছিল, তা শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের কেউ জানেন না। তাঁর বক্তব্য, বিএমএস শ্রমিকদের পিএফ, ইএসআই, গ্র্যাচুইটি এবং ন্যায্য মজুরির মতো বিষয় নিয়ে কাজ করে।

দুর্গাপুরের মতো শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক সংগঠনের উপস্থিতি নতুন নয়। বহুদিন ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত ট্রেড ইউনিয়নগুলি শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সক্রিয়। তারই মধ্যে একই রাজনৈতিক পরিসরের সঙ্গে সম্পর্কের দাবি করা দুই সংগঠনের উপস্থিতি শ্রমিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

শেষ পর্যন্ত অবশ্য প্রশ্নটা শুধু সংগঠনের নয়। কারখানার গেটে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর কাজ,  মজুরি, নিরাপত্তা, পিএফ-ইএসআই, স্থায়ী কাজের সুযোগ এবং কর্মক্ষেত্রে সম্মান। দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলে নতুন এই সংগঠন-সমীকরণ সেই পুরনো প্রশ্নগুলিকেই আরও একবার সামনে এনে দিয়েছে—শ্রমিকের স্বার্থে কথা বলবে কে, আর শ্রমিকের আস্থা শেষ পর্যন্ত কোন সংগঠন কতটা অর্জন করতে পারবে?

আরও পড়ুন: গুগল ম্যাপের দেখানো পথে গিয়ে বাইক সহ খাদে, সারারাত ‘নিখোঁজ’ যুবক!