WhatsApp Group Join Now
Instagram Group Join Now

স্থায়ী সমাধান মিলবে কবে? প্রশ্ন কলোনিতে

দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুর, ১১ আগস্ট: বর্ষা নামতেই চরম পানীয় জলসংকটে পড়েছেন পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত কল্পতরু কলোনির বাসিন্দারা। কল খুললেই বেরিয়ে আসছে ঘোলা ও তিতকুটে গন্ধযুক্ত জল। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চললেও পুরসভার পক্ষ থেকে এখনও কোনও স্থায়ী সমাধান মেলােনি।

কলের জল পানের অযোগ্য জেনেও রান্না, বাসন ধোয়া এবং স্নানের মতো দৈনন্দিন কাজে বাধ্যতামূলকভাবে বাসিন্দাদের এই অপরিষ্কার জলই ব্যবহার করতে হচ্ছে। কলোনির একাধিক পরিবারের দাবি, দূষিত জল পান করে শিশু ও বয়স্করা পেটের নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সোমবার এলাকার কয়েকটি পরিবারের কাছে পানীয় জলের জ্যারিকেন পৌঁছে দিয়েছিল বিজেপি।  

স্থানীয় বাসিন্দা হালিমা বিবি বলেন, “দিনের পর দিন ঘোলা জল আসছে। মুখে দিলে তিতকুটে স্বাদ। গরীব মানুষ। জল কিনে খাওয়ার ক্ষমতা নেই। বাধ্য হয়ে নোংরা জলই খেতে হচ্ছে। পার্টির দেওয়া দল আমরা পাইনি।” এলাকাবাসী মৌ ভুঁইমালি বলেন, “বর্ষা এলেই ঘোলা জল আসে। চরম সমস্যায় থাকি। সোমবার পার্টি থেকে জল দিয়েছিল। কিন্তু তাতে কী আর প্রয়োজন মেটে?”

আরও পড়ুন: সিন্ডিকেট করলে চামড়া তুলে নেব! দুর্গাপুরে কড়া হুঁশিয়ারি পুলিশের

দুর্গাপুরে বিশেষ ভাবে সক্ষম স্কুলছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ পুলকার চালকদের বিরুদ্ধে

এর পাশাপাশি, এলাকায় নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার না হওয়ায় জমে থাকা জলে মশার বংশবৃদ্ধি ঘটছে, যা ডেঙ্গু ছড়ানোর তীব্র আশঙ্কা তৈরি করেছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। ঝিলিক ভুঁইমালি বলেন, “আগে প্রতি সপ্তাহে নর্দমা পরিস্কার করা হতো। এখন তো মাসে একবার হচ্ছে। তাও সেটাও নিয়মিত হয় না। ফলে মশার উপদ্রব বাড়ছে। ডেঙ্গির আতঙ্কও বাড়ছে।”

এ বিষয়ে পুর কর্তৃপক্ষের দাবি, জল সরবরাহের সমস্যা দূর করার কাজ চলছে। নিয়মিত নর্দমা সাফাইয়ের আশ্বাসও দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। দুর্গাপুরের পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পানীয় জলের নতুন পাইপলাইন বসানো, বুস্টিং পাম্পিং স্টেশন স্থাপন এবং পরিশ্রুত পানীয় জলের পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে আগেই পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললেই দ্রুত কাজ শুরু হবে। (বিশেষ বিশেষ খবরের ভিডিয়ো দেখতে Durgapur Darpan Youtube Channel সাবস্ক্রাইব করুন)